বিজ্ঞপ্তি:
ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তি চলছে।

প্রতিষ্ঠান পরিচিতি

গ্রাসরুটস কলেজ অব টেকনোলজি (GCT) ২০০০ সালের ২রা জুলাই ফরিদপুরে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বনামধন্য পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট। এটি একটি বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনিক্যাল প্রতিষ্ঠান। কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্র ও জীবনের জন্য প্রস্তুত করাই এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য।

আমাদের লক্ষ্য ও রূপকল্প

  • রূপকল্প (Vision): একটি উদ্ভাবনী পলিটেকনিক হিসেবে ভবিষ্যৎমুখী মানুষ, শিক্ষার্থী এবং শিল্পের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করা।

  • লক্ষ্য (Mission): শিক্ষার্থীদের কর্ম ও জীবনের জন্য ক্ষমতায়ন করা।

অনুমোদন ও স্বীকৃতি আমাদের প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (BTEB) এবং জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (NSDA) কর্তৃক অনুমোদিত।

শিক্ষা কার্যক্রম গ্রাসরুটস কলেজ অব টেকনোলজিতে বর্তমানে ৬টি বিষয়ে ৪ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স পরিচালিত হচ্ছে:

  • কম্পিউটার টেকনোলজি

  • সিভিল টেকনোলজি

  • ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি

  • মেকানিক্যাল টেকনোলজি

  • টেক্সটাইল টেকনোলজি

  • গার্মেন্টস ডিজাইন

ডিপ্লোমা কোর্সের পাশাপাশি এখানে এনএসডিএ (NSDA) অনুমোদিত বিভিন্ন শর্ট-কোর্স এবং স্কিলস ট্রেনিং প্রোগ্রাম (যেমন: ওয়েব ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, প্লাম্বিং, ওয়েল্ডিং ইত্যাদি) পরিচালনা করা হয়।

ক্যাম্পাস ও সুযোগ-সুবিধা ফরিদপুরের মামুদপুরে ১৬৬ শতাংশ নিজস্ব জায়গার ওপর আমাদের এই পরিবেশবান্ধব সবুজে ঘেরা ক্যাম্পাস অবস্থিত। শিক্ষার্থীদের যুগোপযোগী শিক্ষার জন্য এখানে রয়েছে ৩৩,০০০ বর্গফুটের ৩ তলা একাডেমিক ভবন, ১০টি আধুনিক শ্রেণিকক্ষ, কম্পিউটার ল্যাবসহ অন্যান্য অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরি ও ওয়ার্কশপ।

এছাড়াও আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে ৮০ আসন বিশিষ্ট হোস্টেল, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, সার্বক্ষণিক সিসিটিভি নিরাপত্তা, ফ্রি ওয়াইফাই, এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশের জন্য রয়েছে ইনডোর-আউটডোর খেলাধুলার ব্যবস্থা এবং আরামদায়ক আড্ডা ঘর।

আমাদের সম্পর্কে আরও কিছু তথ্য:

  • প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও: জনাব শহিদুল ইসলাম চৌধুরী।

  • সাফল্য: এ পর্যন্ত ১,৮৭৮ জন শিক্ষার্থী সফলভাবে ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করেছেন।

  • আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি: তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিশেষ অবদানের জন্য ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘অশোকা ফেলোশিপ’ (Ashoka Fellowship) অর্জন করেন।